কলকাতা- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের হাহাকার। তার মাঝেই ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড়সড় রদবদলের খবর।
শোনা যাচ্ছে, ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের প্রয়াণের পর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তাঁর দ্বিতীয় পুত্র মোজতবা খামেনেই।
‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’-এর একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের শক্তিশালী ‘অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস’ গোপন বৈঠকের মাধ্যমে ৫৬ বছর বয়সি মোজতবাকে দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছে। যদিও তেহরান এনিয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনও ঘোষণা করেনি।
দীর্ঘদিন ধরেই মোজতবা খামেনেইকে তাঁর পিতার উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। তবে এই নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। এর আসল কারণ হল, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান বরাবরই বংশানুক্রমিক শাসনের বিরোধিতা করে এসেছে।
সূত্রের খবর, মোজতবাকে এই পদে বসানোর জন্য ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ‘ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস’ ধর্মীয় নেতাদের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছিল। পর্দার আড়ালে থেকে দীর্ঘদিন ধরেই মোজতবা খামেনেই দেশের শাসনব্যবস্থা এবং আইআরজিসি-র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে আসছিলেন। সেনার সঙ্গে তাঁর এই গভীর সম্পর্কই তাঁকে ক্ষমতা দখলের দৌড়ে এগিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
ইরানের সংবিধানে সর্বোচ্চ নেতার হাতেই থাকে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের চাবিকাঠি। তিনি একাধারে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং দেশের রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক।
