কলকাতা – গত কয়েকদিন ধরে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড়। তার পিছনে আছেন অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।
বুধবার বিকেলে টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওতে শিবপুরের বিধায়ক তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের ডাকা বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন। সৃজিত মুখোপাধ্যায়, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত, অশোক ধানুকা, সৌরভ দাস, জয়দীপ মুখোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে হাজির ছিলেন সেখানে।
সেই বৈঠকে বিশ্বাস ব্রাদার্সের বিপক্ষে মুখ খোলেন পরমব্রত। আর তারপর থেকেই অভিনেতার নামের পাশে নেটপাড়ার একাংশ জুড়ে দিয়েছে ‘দল বদলু’ তকমা। অভিনেতা-পত্নী।
বরের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের ক্লিপিংস শেয়ার করে নেন পিয়া চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়া স্টোরিতে। সঙ্গে লেখেন, ‘যাঁরা মনে করছেন পরমব্রত রাজনৈতিক অবস্থান বদলাচ্ছেন, তাদের জন্য এই ক্লিপ রইল।
সিনে টেকনিশিয়ান ফেডারেশনের কিছু অন্যায়/অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। বিজেপিকে সমর্থন করার কোনো প্রশ্নই নেই।’ আর পিয়ার শেয়ার করা সেই ভিডিয়োটি টিভি নাইন ডিজিটালের। যেখানে পরমব্রতকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘আমি কাউকে বিচার করছি না, কিন্তু দেখছি প্রচুর আমার সঙ্গীসাথী যারা পেশাগতাবে পয়সার বিনিময়ে প্রচার করেছেন একাধিক দিন, যারা এটাকে শীতকালীন শো-এর মতো ট্রিট করেছে, তাঁরা দেখলাম ৪ তারিখ রাত্রের মধ্যে হঠাৎ করে দেখলাম বদলে গিয়েছেন।’
এই সাক্ষাৎকারে যখন পরমব্রতকে ‘বিজেপি বিরোধী’ বলে উল্লেখ করা হয়, তিনি প্রতিবাদ করেননি। বরং তারকাদের দল বদল নিয়ে মুখ খুলে বলেন, ‘আমি দ্যার্থহীনভাবে বলব এর দায় আগের সরকারের। আগের সরকার ক্ষতায় আসার ৪-৫ বছর পর, তখন যদিও আমার সঙ্গে কোনো যোগাযোগই ছিল না তৃণূল কংগ্রেসের, সেই সময় যারা ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছিলেন, এই সিচুয়েশনের জন্য তাঁরা দায়ি। কারণটা হচ্ছে, একটা কোনো রাজনৈতিক পক্ষে আমাকে থাকতেই হবে সিনেমার জগতে বেঁচে থাকতে হলে, এই ভয়টা গত ১৫ বছরে শিল্পীদের মধ্যে ঢুকেছে। সেটার জন্যই কিন্তু অনেকে এটা (দল বদল) করছে।’
