কলকাতা – অশান্ত নেপালে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করার পর কার হাতে উঠবে দেশের দায়িত্বভার তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। ইতিমধ্যে বেশকিছু নাম নিয়ে চর্চা হলেও সূত্রের খবর, নেপালের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি শুক্রবার দুপুর নাগাদ অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির বাড়িতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান ও সুশীলা কার্কি। সেখানেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান পদে দায়িত্ব গ্রহণে রাজি হন সুশীলা।
শুক্রবার দুপুরে কাঠমান্ডুর রাষ্ট্রপতি ভবনে আরও একপ্রস্থ বৈঠক হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নিয়ে। সেখানে থাকবেন সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল, প্রধান বিচারপতি প্রকাশ মান সিং রাউত এবং সিপিএন-এর নেতারা থাকবেন। রাষ্ট্রপতির পৌরহিত্যেই এই বৈঠক টি হবে।
২০১৭ সালে নেপাল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পদ থেকে অবসর নেন সুশীলা কার্কি। ভারতের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। তিনি পড়াশোনা করেছেন বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি থেকে।
উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের দাবিতে নেপালে তুমুল আন্দোলন শুরু করে জেন জেড-রা। তাদের চাপে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন কেপি শর্মা ওলি। পদ ছাড়েন বাকি মন্ত্রীরাও।
এই পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করার তোড়জোড় শুরু হয় প্রতিবেশী রাষ্ট্রে। সেই সরকারের প্রধান কে হবেন, তা নিয়ে একাধিক নাম সামনে আসে। প্রথমে শোনা গিয়েছিল কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন্দ্র শাহের নাম। তবে তিনি দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন।
