‘সবার চাকরি যাতে থাকে সেটাই বলেছি সুপ্রিম কোর্টে, তবে পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে’, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
সরকারকে আইন মেনে চলতে হয়। তাই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ মোতাবেক ৩১ মে’র মধ্যে নোটিফিকেশন হবে। বললেন মমতা।
সরকারকে আইন মেনে চলতে হয়। তাই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ মোতাবেক ৩১ মে’র মধ্যে নোটিফিকেশন হবে। বললেন মমতা।
চাকরিহারা গ্রুপ সি (Group c) ও গ্রুপ ডি (Group D) কর্মীদের ভাতা দেবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
চাকরি বাতিল মামলায় রিভিউ পিটিশন রাজ্যের।
চাকরি হারানো গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি অশিক্ষক কর্মীদের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এসএসসি ভবনের সামনে থেকে অবস্থান তুলে নিলেন চাকরিহারা শিক্ষকরা। এবারে তাঁদের গন্তব্য শহিদ মিনার। যোগ্য হয়েও তাঁদের নাম অযোগ্যদের তালিকায় রয়েছে, সেই কারণে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চাকরিহারারা।
ওএমআর শিটে গলদ। অনেক যোগ্য শিক্ষকের নাম বাদ গিয়েছে ‘যোগ্য তালিকা’ থেকে। এই ইস্যুতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের অফিসের সামনে আন্দোলন শুরু করলেন তাঁরা।
মঙ্গলবার দুপুরে মেদিনীপুর কলেজ মাঠে প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সভা থেকে ফের চাকরিহারাদের নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রাথমিকে নিযুক্ত ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি খারিজ মামলাযর শুনানি শুরু হবে ২৮ এপ্রিল। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি ঋতব্রত মিত্রর ডিভিশন বেঞ্চে সোমবার মামলাকারীদের তরফে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।
এসএসসি’র কোন শিক্ষক যোগ্য, আর কে অযোগ্য, তা এবার জানা যেতে পারে! ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ফলে চাকরি গিয়েছে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষককর্মীর।