ইমরান খান কোথায়? খোঁজ নিতে বোনেরা জেলে যেতেই ভয়ঙ্কর কাণ্ড! বড়সড় অভিযোগ

পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের তিন বোন গত সপ্তাহে আদিয়ালা কারাগারের বাইরে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থকদের ওপর ‘নৃশংস’ পুলিশি হামলার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

ইমরান খান কোথায়? এই প্রশ্ন তুলে পাকিস্তানের জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে একাধিক কানাঘুষো ঘুরে বেড়াচ্ছে পাকিস্তান জুড়ে। তারই মাঝে ইমরান খানের বোনরা পাকিস্তানের আদিয়ালা জেলে দেখা করতে যান ইমরানের সঙ্গে। তাঁদের অভিযোগ, ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পর আদিলায়া জেলে তাঁদের চুলের মুঠি ধরে হেনস্থা করা হয়।

পিটিআইয়ের প্রধানও ইমরান খান আগস্ট ২০২৩ থেকে একাধিক মামলায় কারাগারে রয়েছেন। গত সপ্তাহে রাওয়ালপিন্ডি কারাগারের বাইরে পিটিআই সমর্থকদের ওপর ‘নৃশংস হামলার’ বিরুদ্ধে ইমরান খানের বোন নওরিন নিয়াজি, আলিমা খান এবং ড. উজমা খান পাঞ্জাবের পুলিশ মহাপরিদর্শক উসমান আনোয়ারের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছেন। গত সপ্তাহে, তিন বোন আদিয়ালা কারাগারের বাইরে শিবির করেছিলেন, যেখানে বর্তমানে ইমরান খান কারাগারে রয়েছেন। ইমরানের তিন বোনের সঙ্গে ইমরানের দলীয় সমর্থকরাও ছিলেন।

ইমরানের দল পিটিআই-র অভিযোদ যে আলিমা খান, ড. উজমা খান এবং নওরিন কারাগারের বাইরে ‘শান্তিপূর্ণভাবে বসেছিলেন’, যখন কারাগারের বাইরে পুলিশ তাঁদের মারধর করে এবং ‘সহিংসভাবে আটক’ করে। পিটিআই জানিয়েছে, তারা পাঞ্জাব পুলিশ প্রধান উসমান আনোয়ারের কাছে ‘শান্তিপূর্ণ নাগরিকদের ওপর নৃশংস মারধর এবং বেআইনিভাবে আটক’ করার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে।

ইমরান খানের বোনরা চিঠিতে যা অভিযোগ করেছেন যে, তাঁদের কয়েক সপ্তাহ ধরে পিটিআই প্রধানের সাথে কোনও যুক্তি ছাড়াই দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। যার ফলে তারা ইমরানের অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন রয়েছেন। আর সেজন্য ‘শান্তিপূর্ণ এবং গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ’ করেছেন।

তাঁদের অভিযোগ, ‘আমরা তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করেছি। আমরা রাস্তা অবরোধ করিনি, জনচলাচলে বাধা দিইনি, কোনও বেআইনি আচরণে লিপ্ত হইনি। তবুও, কোনও সতর্কতা বা উস্কানি ছাড়াই, এলাকার রাস্তার আলো হঠাৎ করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, ইচ্ছাকৃতভাবে অন্ধকারে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এরপরই পাঞ্জাব পুলিশের নৃশংস ও পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *