কলকাতা- চিংড়িঘাটা ক্রসিংয়ের মাথার উপরে সবথেকে কঠিন ‘হার্ডল’ পার করে ফেলল কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ।
ভায়াডাক্টের যে ৬২ মিটার শূন্যস্থান ছিল, সেটা পূরণ করা হল। দ্বিতীয় দফায় গত শুক্রবার থেকে যে ট্র্যাফিক ব্লক ছিল, সেটার সদ্ব্যবহার করে ৩১৮ নম্বর এবং ৩১৯ নম্বর স্তম্ভের মধ্যে কনক্রিটের চাঁই বসিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছে কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের (নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা এয়ারপোর্ট) দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড (আরভিএনএল)।
ইএম বাইপাসের অন্যতম ব্যস্ত এই মোড়ে ভায়াডাক্টের দুটি পিলারের মাঝখানের শূন্যস্থান ভরাট করা মেট্রো কর্তৃপক্ষের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এই প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে অরেঞ্জ লাইনের কাজ এক বিশাল মাইলফলক স্পর্শ করল।
যদিও অনেকদিন আগেই সেই মাইলফলক স্পর্শ করার কথা ছিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। এখনও সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত যে অরেঞ্জ লাইনের মেট্রো চালানো যাচ্ছে না, সেটার নেপথ্যে আছে চিংড়িঘাটার ৩৬৬ মিটারের ‘মিসিং লিঙ্ক’।
বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে মাসের পর মাস ধরে ওই অংশে কাজের অনুমতি প্রদানের বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পর্যন্ত ভর্ৎসিত হয়। তবে বিজেপি ক্ষমতা আসতেই পরপর দু’সপ্তাহে ট্র্যাফিক ব্লকের অনুমতি দেওয়া হয়। প্রথম দফায় নির্দিষ্ট সময়সীমার আগেই শেষ হয় কাজ। দ্বিতীয় দফায় তাই হল।
ডিসেম্বরের মধ্যেই সল্টলেক সেক্টর ফাইভে পৌঁছে যেতে পারে অরেঞ্জ লাইনের মেট্রো। অর্থাৎ ২০২৬ সালের মধ্যেই নিউ গড়িয়া থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেট্রো ছুটবে বলে আশাপ্রকাশ করা হচ্ছে। আপাতত অরেঞ্জ লাইনের (নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর) মেট্রো পরিষেবা চালু আছে নিউ গড়িয়া থেকে মেট্রোপলিটনের বেলেঘাটা স্টেশন পর্যন্ত।
