কলকাতা- তারাতলা বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। ধ্বংসস্তূপ থেকে এখনও পর্যন্ত ২১ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন উদ্ধারকারীরা।
১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও ১২ থেকে ১৫ জন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিন বিকেল পৌনে ৫টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নিজে পুরো উদ্ধারকার্যের তদারকি করন। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হওয়াটাই এখন তাঁদের কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ।
তিনি আরও বলেন, “ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে।” সরকারিভাবে এই বিপর্যয় নিয়ে আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বিস্তারিত বিবৃতি দেবেন বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যেহেতু বিধানসভা চলছে ক্ষতিপূরণ বা ইত্যাদি বিষয়ে আগামীকাল সকাল ১১টায় অধ্যক্ষের অনুমতি নিয়ে বিবৃতি দেবো।’
দুর্ঘটনার ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, গুদামের ওপরের ঢালাইয়ের পুরু স্তর এবং লোহার বিম ভেঙে পড়ায় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে। হাইড্রোলিক ক্রেন এবং স্নিফার ডগের সাহায্যে আটকে পড়াদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। আহতদের দ্রুত এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই বিপর্যয়, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাব আমাদের সিভিল ডিফেন্স, কলকাতা পুলিশকে। তারা যদি দ্রুততার সঙ্গে উদ্ধারকাজ না করতেন, তা হলে এই মৃত্যুর সংখ্যা অনেক লম্বা হতো। এই জোনে NDRF-এর দায়িত্বে আছেন যিনি, তাঁকেও ধন্যবাদ জানাব।’
